|| এখন খবর (Bengali: বেঙ্গল নিউজ) is the first 24X7 online news daily portal - dedicated to entire Bengali speaking region. ||

প্রিন্ট করুন

Showing posts with label durga puja 2014. Show all posts
Showing posts with label durga puja 2014. Show all posts

This Durga Mahima Celebrate Art with P>C>CHandra Group


পি.সি. চন্দ্র গ্রুপ ও পঙ্কজ মল্লিক মিউসিক এবং আট্ ফাউনডেশন সহযোগিতায় কোলকাতায় IICR ,অবনিন্দ্র টেগোর গ্যালারিতে ১৫ থেকে ২২ শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত্য  এক চিত্রকলার প্রদর্শনির আয়োজন করা হয়েছে।




এখানে দুর্গার মহিমার চিত্রকলা দিয়ে সাজানো হয়েছে। এখানে  শানু লাহিড়ি, রামতনু বন্দোপাধ্যায়, অজ্ঞলি এলা মেনন, যোগেন চৌধুরি,  শুভপ্রসন্ন, অনুরিমা চৌধুরি, রাজিব গুপ্তা, সমিক দে এবং উমা সিদ্ধান্ত, শঙ্কর ঘোষ, তাপস সরকার, চন্দন রায়,রাম কুমার মান্না এবং আরো বিশিষ্ট মানুষের শিল্পকলার নিদর্শন দেখতে পাওয়া যাবে।

আমরা সেই ছোটবেলা থেকে মহালয়ার দিন ভোরের বেলা চার টে বাজটে না বাজতেই রেডিও চালিয়ে দিতাম যে মহিষাশুর মর্দিনি শুনবো। এটা আমাদের বাঙালির অন্য সব কিছুর মধ্যেও একটা জায়গা করে নিয়েছিল । পঙ্কজ মল্লিকের এই অবদান চিরদিন বাঙালি মনে রাখবে।
পঙ্কজ মল্লিক ছিলেন অনেক বহুমুখী প্রতিভার অধিকারি তিনি একদিকে কণ্ঠশিল্পী, সুরকার, সঙ্গীত পরিচালক, অভিনেতা, নাট্যকার, এবং লেখক সবদিকেই সমান ভাবে পারদর্শী ছিলেন।






Pre-Puja & Pre Diwali Collection 2014

লোপামুদ্রা মন্ডল ডিজাইন জগতে অতি পরিচত নাম । গত ২৯- ৩০ শে আগষ্ট ডিজাইনার লোপামুদ্রা মন্ডল  দ্বারা পরিচালিত এক সুন্দর প্রদর্শনির হয়ে গেল পার্ক হোটেল এ।  " Make A Wish Foundation" চ্যারিটির অর্থ সাহায্যে দুর্গা পুজোর ঠিক আগে আগেই হয়ে গেল এই প্রদর্শনি। এখানে আগতরা সবাই ইন্ডিয়ার বিভিন্ন প্রদেশ থেকে তাদের ডিজাইনের ডালি নিয়ে উপস্হিত হয়েছিলেন পুজোর আগে সবাইকে নতুন কিছু উপহার দেবেন এবং নিজেদের শিল্পকলা কোলকাতার মানুষদের কাছে তুলে ধরবেন বলে।

এদের মধ্যে কিছু জনের তো নাম না বললে চলে না যেমন   Rhyea দিল্লীর ADOR, Debarun, Sharmis, Fooba মুম্বাই থেকে,ফেলুর এর ডিজাইন Riddhima Chawla, ফুলিয়ার তাঁতের শাড়ি, স্টুডিও আই - লোপামুদ্রা মন্ডল সাহার এবং আরো অনেকের ডিজাইন চোখে পড়ার মতো।




এই প্রদর্শনির কর্মকতা লোপামুদ্রা দিদি একটি নতুন বুটিক সৃজনির কথা প্রসঙ্গে বললেন এখানে আমি সব নতুন ও পি পুজা ও আগত দিয়ালির কথা ভেবে সব বেছে বেছে বিভিন্ন প্রদেশ থেকে খুঁজে খুঁজে সর্বশ্রেষ্ঠ জিনিসের ফ্রেস কালেকশন নিয়ে পুজোর আগে উৎসবের আমেজ সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চেয়েছি।







 

                                                                    প্রদর্শনি শুরু হতে না হতেই বহু মানুষের ভিড়ে জমজমাট একেবারে তার মধ্যে বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যাক্তিদের আনাগোনা প্রদর্শনি কে এক অন্য মাত্রা জুড়ে দিয়েছিল। এর মধ্যেই সিনেমা জগতের তারকারাও উপস্হিত ছিলেন এই কেনাকাটা করার জন্য। রিতুপর্না সেনগুপ্ত এবং পল্লবী চ্যাটার্জী এসেছিলেন তাদের নিত্য প্রয়োজনিয় জিনিস কেনাকাটা করতে ও নতুন জিনিসের রস আস্বাদন করতে। কোলকাতার মানুষ পুজোর আগে এই রকম একটা সুযোগ পেয়ে কেনাকাটি করতে সময় নষ্ট করেনি কারুন একজায়গায় সব মনের পছন্দের জিনিস আর সাধ্যের মধ্যেই যে।

The Glamour of The Season


দুর্গা পুজো তো এসে গেল জানলার ফাঁক দিয়ে উকি মারছে আর " পুজা হাট" এই দুর্গা পুজোর শুরুর আগেই ফ্যাশনের এক অসাধারন প্রদর্শনি আইস স্কেটিং রিং এ করে মাতিয়ে দিল। দিল্লি , লক্ষ্ণ থেকে শুরু করে সারা বিশ্ব  অনেষ্বন করে পোষাক ও ডিজাইনের এক বিরাট মেলার আয়োজন করেছিল । তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো লক্ষ্ণ থেকে অনিতা বুটিক, শিইম দিল্লি থেকে, বেণারসি ওয়েব সরাসরি বেণারস থেকে , রণবির মুখার্জির ডিজাইন কল্পনা,ভেদা দ্য ফেন্স নট্,ফুলিয়া থেকে রিসিটা হ্যান্ডলুম,  এবং আরো ভালো ভালো ডিজাইনের সম্বার নিয়ে এই প্রদর্শনিতে অংশগ্রহন করেছেন।

এই অনুষ্ঠানটি প্রদিপ জ্বালিয়ে শুভ সুচনা করলেন বিখ্যাত ডিজাইনার সর্বরি দত্ত।





পুজা হাট সবসময় ই চেষ্ঠা করে ফ্যাশন এবং লাইফ স্টাইলের উপর সবাইকে সুযোগ করে দিতে। এখানে সব সামিয়িক কালের ডিজাইন এবং ওয়েষ্টান থেকে ইন্ডিয়ান সব রকমের ই বৈচিত্র দেখতে পাওয়া যায়, এছাড়াও টেক্সটাইল ইন্ডাস্টির এবং প্রিন্টিং কাপড়ের ও সম্ভার দেখতে পাওয়া যায়। প্রচুর নতুন ধরণের জুয়েলারি দেখতে পাওয়া যায়।বাড়ি সাজাবার আসবাব পত্রে নতুনত্ব ডিজাইনের স্টল গুলো চোখে পড়ার মতো।





কর্মকতা অনুপম মুখার্জির থেকে জানা গেল পুজা হাট ইতিমধ্যেই জয় করে নিয়েছে নতুন প্রজন্মের যুবক যুবতিরা। ফ্যাশন এবং লাইফস্টাইল জগতে একটা সাক্ষর রেখে গেল এই পুজা হাটের প্রদর্শনি । এই প্রদর্শনি তে  ক্রেতারা সুযোগ পান বি্ভিন্ন ফ্যাশন ও লাইফ স্টাইলের দ্রব্যগুলি আসল বিক্রেতার সরাসরি সাক্ষাত করে সঠিক মুল্যে কেনা কাটা করার। আর বিক্রেতারা সুযোগ পান তাদের দ্রব্য সঠিক ক্রেতার কাছে তুলে ধরতে।

Exhibition In Kolkata On Monami Butik Saree Design

এবারের পুজোয় বাজার কাঁপাতে আসলো "মোনামি" বুটিক

শাড়ি হল বাঙালী মেয়ের অঙ্গের শোভা বর্ধক পোষাক ।  আর দুর্গাপুজোয় শাড়ি বোধ হয় বাঙালী সহ সব দেশের মহিলাদের কাছেই ব্রাত্য এবং অত্যন্ত পছন্দের । যারা সারাবছর শাড়ি পরেন না তাঁরাও বছরের ঐ পাঁচটি দিন শাড়ি কেনেন এবং পরেন । বুটিকের শাড়িগুলির বৈশিষ্ট্য হল এগুলির আধুনিকতা এবং রুচি সম্মত লুক । যা কখনোই একঘেয়ে হয়না ।

আর মোনামি দির ডিজাইনের শাড়ি মানেই সবার থেকে আলাদা কারন অন্য পাঁচটা বুটিকের মতো অন্য জায়গা থেকে কালেকশন করে সাজানো নয় একদম নিজের হাতে করে মাত্র চার জন কারিগর নিয়ে পরম মমতায় গড়ে তোলা অপুর্ব এক সৃষ্টি। মোনামি দিদির গ্যালারি গোল্ডেপ্রদর্শণী চলছে গত ৯ ই তারিখ থেকে ১১ ই তারিখ পর্যন্ত। এখানে কোনোটি কাঁথার কাজে, কোনোটি হ্যান্ড বাটিকে কিম্বা কলমকারির কাজে  । কোনোটি আবার ফেব্রিক পেন্টিং করেছেন নিজেই । কোটা, তসর্, মুর্শিদাবাদ সিল্কের থানে, মলমলের ওপরে কিম্বা তাঁতের থানেতে এই শাড়িগুলির অভিনবত্ব সত্যি প্রশংসনীয় ।দাম একদম সাধ্যের মধ্যেই মাত্র ৮৫০ টাকা থেকে ৮০০০ টাকার মধ্যেই ।






মোনামি দিদি আমাদের প্রতিবেদক কে জানালেন তাঁর ছোটোবেলা থেকে সুঁচ ও সুতো নিয়ে এই কাপড়ের উপর ডিজাইন করার নেশা ছিলোই। অন্য বুটিক থেকে তাঁর আলাদা মাত্রা দেয় কারন তিনি এই বুটিকের সমস্ত ডিজাইনে অতন্ত দরদের সাথে নকসা ফুটিয়ে তোলেন। যারা সত্যি ভালো কাজের কদর বোঝেন তাঁরা অবশ্যই তাঁর বুটিক থেকে কাপড়ের কাজ দেখে পছন্দ করবেন। এছাড়াও তাঁর প্রদর্শনী তে দেখতে পাওয়া রকমারি বটুয়া সেগুলো মোনামি দি র নিজস্ব চিন্তাভাবনায় তৈরী।







বিশিষ্ট  রবিন্দ্রসংঙ্গীত শিল্পী স্বাগতালক্ষ্মী দাশগুপ্ত[১] মোনামি দির প্রদর্শনীর উদ্‌যাপনে এসে বললেন যে " আমি খুব আশাবাদী যে মোনামি খুব সুন্দর সুন্দর ডিজাইনের শাড়ী প্রদর্শনী করছে। আমি তো এসে প্রথমেই একটা শাড়ি পছন্দ ও হয়ে গেছে। আরও অনেক বুটিক রোজ ই নতুন নতুন হচ্ছে কিন্তু মোনামির ( মহানায়ক উত্তমকুমারের ভাই তরুণকুমারের মেয়ে ) ডিজাইন আমাকে বার বার টেনে আনে। আমি চাই ওর শাড়ী দেশে ও বিদেশে আরও খ্যাতি লা্ভ করুক।"

Adi Lake Pally release their Theme Song

আদি লেক পল্লী দূর্গা পুজা এবার শততম বছরে পা রাখল
 
  
আদি লেক পল্লী দূর্গা পুজা তাদের ১০০ বছরের উদ্‌যাপনের থিম গানের এ্যালবাম প্রকাশ করলো একটি অনুষ্টানের মধ্যে দিয়ে। উপস্হিত ছিলেন লোপামুদ্রা এবং আরো অনেক শিল্পীরা। লোপামুদ্রা দিদি আরো বললেন উনি পুজোয় কোলকাতা উপস্হিত না থাকলেও ওনার গানের মধ্যে দিয়ে সবার অন্তরে মনের কাছে উপস্হিত থাকবেন সদা সর্বময়।

Santospur Lake Pally Start Their Puja Udbodhan

              এবারে সন্তোষপুর লেক পল্লির ৫৭ তম বর্ষ। সকালে এলাকার বাসিন্দাদের ঘুম ভাঙল ঢাকের বাদ্যি শুনে। ঢাকের আওয়াজ অবশেষে ভোটের আবহ কেটে শহরে পুজোর আবেশ এসে পড়ল। সেই আবেশে গা ভাসিয়ে এখন মায়ের প্রতিক্ষায় সন্তোষপুর লেক পল্লির সঙ্গে দিন গুনতে শুরু করে দিল সমগ্র শহরবাসীও।দিন গুনতে শুরু করে দিল আম বাঙালি। জাঁকজমকের মাধ্যমে এবছরের পুজোর আনুষ্ঠানিক উদবোধন করে ফেলল সন্তোষপুর লেক পল্লি। ভোট যুদ্ধ শেষ হতেই শুরু হয়ে গেল পুজো উৎসব। এতদিন ভোট প্রচারের একঘেয়ে মাইকের আওয়াজ শুনতে শুনতে কান ঝালাপালা হয়ে উঠেছিল শহরবাসীর। 
                           
                  

               তাই পুজোর আবেশ মেখে এক নতুন উদ্যমে দেওয়া হয়েছিল ক্লাবের পক্ষ থেকে। ক্লাবের জয়েন্ট সেক্রেটারি সোমনাথ দাস জানালেন, এবারের পুজোর পরিকল্পনায় রয়েছেন সঞ্জীব সাহা ও প্রতিমা শিল্পী পরিমল পাল। সকাল সকাল পাড়ার পুরোহিত এসে যজ্ঞ করে খুঁটি পুজো করেন। শুধু পাড়ার বাসিন্দারাই নয়, জাকজমকপূর্ণ এই খুঁটি পুজোয় উপস্থিত ছিলেন রূপোলি জগতের বেশ কয়েকজন ব্যক্তিত্ব।


     
                         এসেছিলেন টলিউড ও বলিউড অভিনেতা রাজেশ শর্মা, আঁচল ধারাবাহিক খ্যাত শ্রীপর্ণা রায় ওরফে ‘টুসু’, বাইশে শ্রাবণ খ্যাত অনিন্দ্য বন্দ্যোপাধ্যায়, বিশিষ্ট সাংবাদিক দেবদূত ঘোষ ঠাকুর। এছাড়াও ১০৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সঞ্জয় দাস-ও এদিন খুঁটি পুজোয় উপস্থিত ছিলেন।



  এতো গেল খুঁটি পুজোর আয়োজন, এরপর দুপুরে পাড়ায় একসঙ্গে খাওয়া দাওয়ার জোরদার বন্দোবস্তও করা হয়েছিল। 






খাওয়া দাওয়ার কথা বলতে গিয়ে জয়েন্ট সেক্রেটারি সোমনাথ দাস জানান, খুঁটি পুজোর পরে পাড়ায় পাতপেড়ে খিচুড়ি, বেগুন ভাজা, আলুর দম, চাটনি খাওয়ার আয়োজন করা হয়েছিল। 




                  
   আর দুপুরের এই আয়োজনে হাতে হাত মিলিয়ে সঙ্গত করেছিলেন পাড়ার মহিলারাও। 



                 বিকেলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করেছিলেন উদ্যোক্তারা। 


  ছোটদের শ্রুতি নাটক, গান, কবিতা সহ নাচে-গানেপুজোর প্রস্তুতির চমক দেখতে পাওয়া গেল এদিন।   


 





 এর পাশাপাশি প্রতিবারের মতো এবারেও সোনারপুরের একটি অনাথ আশ্রমকে এদিন কিছু আর্থিক সাহায্যও করা হয়।

পেজ টি এতবার দেখা হয়েছে