|| এখন খবর (Bengali: বেঙ্গল নিউজ) is the first 24X7 online news daily portal - dedicated to entire Bengali speaking region. ||

প্রিন্ট করুন

Showing posts with label binodan. Show all posts
Showing posts with label binodan. Show all posts

এক অনু্ভুতি " আত্মসন্মান "আমার চোখে


ঘুরতে ঘুরতে চলে গিয়েছিলাম কোনো এক নৃত্যের দরবারে মঞ্চের নাম আজ আর মনে রেখাপাত করেনি সময়ের কারনে লিখতেও ভুলে গিয়েছিলাম। কিন্তু মনের স্মৃতিতে বার বার উকি মারছিল অনু্ভুতি। যখন আমি সেই দরবারে প্রবেশ করলাম দুর থেকে যেন কেউ বলছিলো আপনাকে আমাদের সভায় আমন্তন করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। শুনেই মনটা খুশিতে ভরে গেলো যারা আমরা ফটো জানালিষ্ট তারা সব জায়গায় ই অপাথেয়। অনেক দয়া করে আমাদের ছবি তুলতে দেয় সংবাদ দেয় আবার অনেকেই বলে আপনাকে কে নিমন্তন করলো এখানে আসবার জন্য। ----





এখনকার দিনে হয়তো অনেকেই মাথা নিচু করে বড়দের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করার কথা ভুলেই গেছে, কিন্তু এখানে এসে ডঃ দেবযানি দিদির ছাত্র - ছাত্রীরা ছোট ছোটো পায়ে হেটে বড়দের প্রণাম এবং শুভেচ্ছা জানাতে মনে পড়ে গেলে পুরোনো দিনের কথা আমরাও কোথাও কিছু করতে গেলে বড়দের প্রণাম ও আর্শিবাদ নিতাম। সেই চিন্তাধারা কিন্তু এখনো এদের মধ্যেই বিত্তমান। মনটা আরোও খুশিতে ভরে গেল। এই সব শিশুরা সবাই " সুর্যকিরণ" হেরিটেজ স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী। এই স্কুলের পরিচালন সমিতির সবাই আপ্লুত এই দেখে যে ডঃ দেবযাণী দিদি এইসব স্টুডেন্ট দিয়ে এতো সুন্দর একটা নৃত্যের ব্যাবস্হা করেছেন।" সুর্যকিরণের "পক্ষে মিণাক্ষি দিদি  বললেন অসাধারন সুন্দর চিন্তাভাবনা আর খুব ধৈয্য দিয়ে সব ছোট ছোট শিশুদের দিয়ে নৃত্য পরিচালনা যে সে ব্যাপার নয় এটা একটা বেশ বড়ো পদক্ষেপ এইচ.আই.ভি ধারক শিশুদের দিয়ে এইরকম একটা অনুষ্ঠান পরিচালনা করা। "






বিখ্যাত নৃত্য সম্রাট কোহিণুর সেন বরাট বললেন " এই ধরনের ভারতীয় নৃত্যকে যারা বহন করে চলে তাঁদের পাশে সবসময় আছি। দেবযাণি খুব সুন্দর কাজ করছে।
দেবযানি চালিয়া কথা প্রসঙ্গে যোগ দিলেন " আমি ১৯৭৯ থেকে বস্তির বাচ্চাদের মুক্ত ক্লাস করাই। কিন্তু দেবযানির নাচের স্টাইল ই আলাদা। ওর স্বভাব আর গুনে ছাত্র-ছাত্রীর ভিড়ে ভিড়াকার হল পুরো ভর্তি ওর নাচ দেখার জন্য। ও যেন আরোও এগিয়ে যাক এই শুভকামনা করছি।
ডঃ দেবযানি দিদি কথা প্রসঙ্গে জানালেন " ওনার কাছে ওনার ছাত্রছাত্রীরা নিজের ছেলেমেয়ের মতো আর সবাই যে ওনার ছেলেমেয়েদের কাজের উৎসাহ দিতে এসেছেন তাঁতে উনি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করলেন। আর জানালেন নাচ ওনার কাছে পুজা।
"As I feel in dance and try to feel and enjoy like my feel from dance like my heart." AtmaSanganam "
জীবাত্মা থেকে পরমাত্মা, সর্বত্র শান্তি বিরাজ করুক। মধুময় হোক জীবন।

North America Bangla Literature and Culture Convention 2014

নিউইয়র্কে উত্তর আমেরিকা বাংলা সাহিত্য সম্মেলন ২০১৪ অনুষ্ঠিত

বিশেষ প্রতিনিধি : সকল অতিথির হাতে হাতে মঙ্গলপ্রদীপ। উদ্বোধনী সঙ্গীতে কন্ঠ দিলেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের খ্যাতিমান সঙ্গীতশিল্পী শহীদ হাসান। মিউজিকের অনুরণনে আপ্লুত
ভর্তি দর্শক-শ্রোতা-সাহিত্য অনুরাগীরা। পড়ন্ত বিকেল ভরে উঠলো এক অনন্য অভায় জীবনের জন্য সাহিত্য- এই মুখ্যবাণীকে উপজীব্য করে নিউইয়র্কে উত্তর আমেরিকা
বাংলা সাহিত্য সম্মেলন-২০১৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে ভাষা শহীদ, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলা ভাষা-সাহিত্যের প্রতি সম্মান দেখিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালনেরমধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। এবারের সাহিত্য সম্মেলনের প্রধান আয়োজক ছিল গাঙচিল সাহিত্য আসর ও প্রবাসী ফাউন্ডেশন ইউএসএ। বিশিষ্ট কবি ফকির ইলিয়াস ও ছন্দা বিনতে সুলতানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনের হলরুম ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। ২৯ জুলাই ২০১৪ শুক্রবার বিকেলে জ্যাকসন হাইটসের সুপরিচিত 'জুইশ সেন্টারে' অনুষ্ঠিত হয় এই সম্মেলন। সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন সাপ্তাহিক ঠিকানা'র সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি, বিশিষ্ট সমাজসেবক -সাংবাদিক, সাবেক সংসদ সদস্য এম এম শাহীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলাম, সাবেক সংসদ সদস্য অনিুজ্জামান খোকন, বিশিষ্ট লেখক ডঃ অর্ভিন ঘোষ, বাংলাদেশ টেলিভিশনের সাবেক মহাপরিচালক এ কে এম সালামতউল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ডঃ গিয়াস উদ্দীন ও কবি তমিজ উদদীন লোদী।
 সম্মেলনে 'বাংলা সাহিত্য দেশে বিদেশে'- শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন- লেখক প্রতীপ দাশগুপ্ত, লেখক ও সাংবাদিক হারুন চৌধুরী, লেখক i^স্বপন বসু, সাংবাদিক শাখাওয়াত হোসেন সেলিম, সাপ্তাহিক জন্মভূমি সম্পাদক রতন তালুকদার, বিশিষ্ট সাংবাদিক মনজুর আহমদ, লেখক প্রদীপ মালাকার, ও লেখক মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন।'অভিবাসী সাহিত্য ও ধারাবাহিকতা'- শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন কবি তমিজ উদদীন লোদী। তিনি বলেন, একজন কবি কিংবা লেখক অভিবাসী হবার পর তার দুটো ঠিকানা গড়ে উঠে। একটি তার জন্মভূমি আর অন্যটি তার নিজের বাসভূমি। কিন্তু বিশ্বসাহিত্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ঐ লেখক তার জন্মভূমিকে আবর্তন করেই রচনা করেন তার মূল্যবান সাহিত্য। তিনি বলেন, এই গ্লোবাল ভিলেজ আমাদেরকে খুব কাছাকাছি নিয়ে এসেছে। তাই অভিবাস শব্দটি এখন বিশ্বগ্রাম।কবি তমিজ উদদীন লোদী বলেন, অভিবাসে থেকে অনেক বড় বড় সাহিত্যিক তাদের পাঠকপ্রিয় লেখাগুলো লিখেছেন। এখনও লিখছেন। এই উত্তর আমেরিকা থেকেও এমন সাহিত্য রচিত হবে সে প্রত্যাশা আমরা করেই যাচ্ছি।পশ্চিম বাংলার খ্যাতিমান সাহিত্যিক ডঃ অর্ভিন ঘোষ তার নিজ লেখার কয়েকখণ্ড পড়ে শোনান। তিনি বলেন- এমন আয়োজন প্রজন্মকে শাণিত করবে।বাংলাদেশ টেলিভিশনের সাবেক মহাপরিচালক এ কে এম সালামতউল্লাহ তার বক্তব্যে বলেন, বাংলা বিশ্বের ষষ্ঠ প্রধান ভাষা। এই ভাষার ইতিহাস-ঐতিহ্য খুব উজ্জ্বল। তিনি বিদেশে নিজ প্রফেশনের প্রয়োজনেই বাংলা ভাষা শেখার জন্য প্রজন্মকে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, একজন ডাক্তার কিংবা একজন আইনজীবী যদি একটি ভাষায় কথা বলা কিংবা লেখার কৃতিত্ব দেখাতে পারেন- তা কিন্তু তার পেশাগত জীবনকেই সমৃদ্ধ করবে। তাই বাংলা শেখা উচিৎ নিজের প্রয়োজনেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও যুক্তরাষ্ট্রে ভিজিটিং প্রফেসর ডঃ গিয়াস উদ্দীন বলেন, আমরা যেখানেই থাকি না কেন, যেন শিকড়ের সন্ধান ভুলে না যাই। তিনি বিজ্ঞান মনস্ক সাহিত্যের উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, উত্তর আমেরিকা উপাত্তের দেশ। এখানের আর্কাইভ আমাদেরকে পড়াশোনার দরজা অবারিত রেখেছে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সাবেক সংসদ সদস্য মনিরুল ইসলাম বলেন, এটা আশার কথা আমেরিকায়ও গড়ে উঠছে মিনি বাংলাদেশ। এখানে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রদীপ জ্বলছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটির অভ্যুদ্বয়ের মাধ্যমে বিশ্বে বাংলা ভাষা এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার পথটি দেখিয়েছে। আর এজন্যও প্রবাসী বাঙালীদের দান অপরিসীম। বিশেষ অতিথি, উত্তর আমেরিকার প্রথম বাংলা টিভি 'রূপসী বাংলা'র মহাপরিচালক ও সাবেক সংসদ সদস্য আনিসুজ্জামান খোকন বলেন, আমি প্রায় সাড়ে তিন দশক আগে উত্তর আমেরিকায় বাংলা ভাষা-সাহিত্য-শিল্প বিকাশের যে স্বপ্ন দেখতাম, তা আজ যৌবনে এসে পদার্পণ করেছে। আমি আনন্দিত আজ লাখো বাঙালী বাস করেন এই নিউইয়র্কে। হাজারো বাংলা ভাষাভাষির পদচারণায় মুখরিত আজকের সম্মেলন। তিনি বলেন, প্রজন্ম আর হয়তো আমি যে ভূমি থেকে এসেছিলাম- সেখানে ফিরে যাবে না। কারণ অভিবাস মানেই গ্রহণ, প্রত্যাবর্তন নয়। বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই আমাদেরকে পরবাসে নিজেদেরকে সাহিত্যে-শিল্পে শক্তিশালী অবস্থান গড়ে তুলতে হবে। প্রধান অতিথির ভাষণে বহির্বিশ্বে সর্বাধিক প্রচারিত  সাপ্তাহিক ঠিকানা'র সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি,বিশিষ্ট সমাজসেবক-সাংবাদিক, সাবেক সংসদ সদস্য এম এম শাহীন বলেন, আমি নান্দনিক সৃজনশীলতায় বিশ্বাস করি। সাপ্তাহিক ঠিকানা একুশে ফেব্রুয়ারীর জাতক। আর সেই আলোকেই ঠিকানা, বাংলা ভাষা-সাহিত্য ও অভিবাসী প্রজন্মকে আলোর দিশা দেখিয়ে যাচ্ছে গেল পঁচিশ বছর থেকে। তিনি বলেন, ঠিকানা উত্তর আমেরিকায় লেখক সৃষ্টিতে প্রহরীর ভূমিকা পালন করেছে এবং করবে। তিনি বলেন, সাহিত্য জীবনের কথা বলে। আমি একজন রাজনীতিক। সাহিত্য-শিল্প, রাজনীতি বিবর্জিত বিষয় নয়। তিনি ঘোষণা দিয়ে বলেন আগামীতে আরও বড় আকারে সম্মেলন অনুষ্ঠানে ঠিকানা সকল দায়িত্ব পালন করবে। এবারের সাহিত্য সম্মেলনের প্রধান আয়োজক গাঙচিল সাহিত্য আসর ও প্রবাসী ফাউন্ডেশন ইউএসএ কে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ঠিকানা সকল মহৎ আয়োজনের শরিক হতে চায়। প্রধান অতিথি তার সারগর্ভ বক্তব্যে বলেন,আজকের এই সমাবেশের প্রত্যেকেই নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। আর নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করেই আমরা আমাদের সমাজকে, আমাদের প্রজন্মকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি। এবারে সাহিত্য সম্মেলনে দশজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে 'সম্মাননা পদক'- প্রদান করা হয়। এবছর সাহিত্য সম্মাননা পদক পেয়েছেন, আশির দশকের শক্তিমান গল্পকার ও কবি তমিজ উদদীন লোদী। সংবাদ মাধ্যম হিসেবে পদক পেয়েছে সাপ্তাহিক ঠিকানা। শিক্ষা প্রসারে পদক পেয়েছে - খান'স টিউটোরিয়াল ও মামুন'স টিউটোরিয়াল। কন্ঠশিল্পী হিসেবে পদক পেয়েছেন বিশিষ্ট শিল্পী নীলুফার বানু লিলি ও প্রবাসী প্রতিশ্রুতিশীল শিল্পী ন্যান্সি খান। কম্যুনিটি একটিভিস্ট ক্যাটাগরিতে পদক পেয়েছেন- মাজেদা আক্তার উদ্দীন। মূলধারায় বাংলা ভাষার প্রসারে পদক পেয়েছেন- শারমিন সুলতানা। আবাসন ও সমাজসেবায় পদক পেয়েছেন বিশিষ্ট রিয়েলটর জাকির খান এবং ব্যবসা-বানিজ্য প্রসারে পদক পেয়েছেন কাজী এ হোসেন। পুরস্কার প্রাপ্তদের হাতে পদক তুলে দেন প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিবৃন্দ। পদকপ্রাপ্তদের পক্ষে খান'স টিউটোরিয়ালের নাঈমা খান বলেন, শিক্ষাই প্রজন্মের মূল হাতিয়ার। আমরা আমাদের প্রজন্মকে সুযোগ্য উত্তরাধিকারী হিসেবে গড়ে তুলবো এটাই হোক সকলের প্রত্যায়। এর পরের পর্বে ছিল স্বরচিত কবিতা পাঠ ও কবিতা আবৃত্তি। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গকৃত কবিতা পাঠপর্বে অংশ নেন - তমিজ উদদীন লোদী, শামস আল মমীন, সৈয়দ মামুনুর রশীদ, জুলি রহমান, মিজানুর রহমান প্রধান, কাউসারী মালেক রোজী, মোখলেসুর রহমান, সুরীত বড়ুয়া, আহমেদ ছহুল, মুনিয়া মাহমুদ, সাকিনা ডেনি, শহীদুল সরকার, ছন্দা বিনতে সুলতান, কিবরিয়া চৌধুরী, স্বপ্ন কুমার, নিখিল কুমার রায়, স্বপন বসু, শামসুল হক খান, শরিফুল আলম, মোহাম্মদ আলী বাবুল, শাইখ পীরজাদা নূরুল হুদা, নূর ইসলাম বর্ষণ, পারভীন বানু, মাহবুবুর রহমান,প্রমুখ। অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেয়া জেরিন মাঈসা'র বাংলা কবিতা আবৃত্তি সকলের কাছে ব্যাপক নন্দিত হয়। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মাঝে উপস্থিত ছিলেন- সাপ্তাহিক বর্ণমালার সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা কমাণ্ডার আব্দুল মুকিত চৌধুরী, ডেইলি নিউ নেশনের যুক্তরাষ্ট্র প্রতিনিধি তাসের মাহমুদ, বিশিষ্ট কম্যুনিটি একটিভিস্ট নাসির আলী খান পল, ইমাম কাজী কায়্যুম, প্রমুখ। এবছরের সম্মেলনে অন্যান্য সহযোগী সংগঠনগুলো ছিল- উত্তর আমেরিকা কেন্দ্রীয় কবিতা পরিষদ,হুমায়ুন আহমেদ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন, রাইমিং পোয়েটস ইন্টারন্যাশনাল, প্রবাসী লেখক গোষ্ঠী, আবৃত্তি একাডেমি অব নর্থ আমেরিকা, বাংলাদেশ কমিউনিটি অব পোকেপসী, খান'স টিউটোরিয়াল, মামুন'স টিউটোরিয়াল, বাংলাদেশ আমেরিকান কালচারাল একাডেমি,বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পারফর্মিং আর্টস(বিপা), সুর বাহার বাংলাদেশ কালচারাল একাডেমি, সুর ও বাণী সঙ্গীত একাডেমি, বাংলাদেশ জাতীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণ পরিষদ, বাংলাদেশ কালচারাল সোসাইটি অব নর্থ আমেরিকা, মোহাম্মদী সেন্টার জ্যাকসন হাইটস, আমেরিকান বাংলাদেশী আর্টিস্ট ফোরাম, বাংলাদেশ কমিউনিটি অব হাডসনভ্যালী, বাংলাদেশ এডুকেশান এন্ড কালচারাল সোসাইটি অন নর্থ আমেরিকা, সুর ও রং একাডেমি অব ক্লাসিক্যাল মিউজিক, সঙ্গীত একাডেমি নিউইংল্যাণ্ড, সুশীল সমাজ নিউইয়র্ক, রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংসদ, সাজুক্তা সাহিত্য ক্লাব, প্রবাসী শিল্পী গোষ্ঠী, ভালোবাসার মন্চ ইউএসএ, এশিয়ান আমেরিকান ফ্রেন্ডশীপ সোসাইটি, প্রবাসী আড্ডা সোশ্যাল ক্লাব, ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলাপমেন্ট, ও গাঙচিল থিয়েটার।অনুষ্ঠানের শেষপর্বে সঙ্গীত পরিবেশন করেন, নীলুফার বানু লিলি, সুলতান মাহমুদ। সঙ্গীত পরিচালনায় ছিলেন ওস্তাদ হারুনুর রশীদ। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন দিলরুবা আবেদীন। সঙ্গীত সমন্বয়কের দায়িত্বে ছিলেন ডঃ শাহনাজ আলম। সম্মেলনের আহ্বায়ক নূরুল আবেদীন ও সদস্য সচিব খান শওকতের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে মধ্যরাতে শেষ হয় সম্মেলন

LOOMS WEAVES AND MORE



মৈত্রেয়ী পাঠক, টিনা রায়, এবং সঞ্চিতা ঘোষ এর সম্মিলিত প্রচেষ্ঠায় কোলকাতায় ১৯ শে আগষ্ট থেকে ২১ শে আগষ্ট আইস স্কেটিং রিং এ হয়ে গেল কাপড় ও জুয়েলারির এক বিশাল সম্ভার নিয়ে প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিলেন।

কাপড়, টেক্সটাইল, চারু ও শাড়ির ছোটো থেকে ভারতের কারুশিল্প, প্রীত পরিধান, হস্তনির্মিত,পাটের নানারকম পণ্য এবং অন্যান্য আনুষাঙ্গিক নিত্য প্রযোজনিয় জিনিস এই প্রদর্শিত হয়।তিন দিনের এই প্রদর্শনি টি ঠিক দুর্গা পুজোর আগে একটা নতুন মাত্রার উৎসবের আমেজ বাঙালি, মারযারি এবং অন্য হিন্দু, মুসলিম ও সমগ্র কোলকাতা বাসিদের মনে একটি মিলন ক্ষেত্র রচনা করেছিল।




সুপরিচিত ডিজাইনদের দ্বারা পরিচালিত এই প্রদর্শনিতে সারা ইন্ডিয়া জুড়ে ছড়িয়ে থাকা তাঁতী ও কারিগরদের জীবিকার প্রযোজনে সংঘ্যবদ্ধ করে তাঁত ও বস্তশিল্পের জন্য একটি আলাদা বাজারের উদেশ্যে প্রায় ৫০ টি স্টল এখানে বসেছিল।



নানারকম ইন্ডিয়ান কালচারাল নিদর্শন কলমকারি, কালাকসেত্রো কটন, ইক্কট,কাঞ্চিভরম, দাক্ষিণাত্য থেকে মহেশ্বরী,চাণ্ডেরি, বেণারসী এবং কুঞ্চি থেকে চিকানকারি, হস্তশিল্প,ভান্ডি, কোটা, ইন্ডিগো ড্রাই প্রিন্ট পশ্চিম থেকে এ্যাপলিকিউ, উত্তর থেকে ফুলকরি হস্তশিল্প, কাঁথা, ফুঁলিয়া কটন পুর্ব থেকে,এবং উত্তর -পুর্ব থেকে আগত  হাতের তৈরি তাঁতের কাপড় এর প্রদর্শনি দেখতে পাওয়া গেল।

সবার অতি পরিচিত ফ্যাশন ডিজাইনার অগ্নিমিত্রা পালের এই প্রদর্শনির উদ্ধোধনে এসে বললেন এই উদ্যোগ খুব ভালো যে বাংলার তাঁত শিল্পকে বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দিতে এইরকম প্রদর্শনির এবং উদ্যোগ খুব দরকার।

Pehchan is Back with its 15th Edition

কলকাতায় আইস স্কেটিং রিং এ কলকাতা ফ্যাশন ফেয়ার ফ্যাশন স্টাইলের এক অসমান্য প্রদর্শনির আযোজন করেছিল ২২ শে আগষ্ট। সময়ের কালবর্তে হারিয়ে না গিয়ে Kolkata Fashion Fair (KFF) - Pehchan তার চিররীতি বজায় রেখে আবার নতুন ধরনের পোষাকের সম্ভার নিয়ে হাজির হলো। এই প্রদর্শনী উদ্ধোধনে ছিলেন বলিউড অভিনেত্রী Ms Tia Bajpai and Bollywood Actors Mr. Furquan Merchant এবং Vipin Sharma সংঙ্গে Debasish Chatterjee.







কোলকাতা সাক্ষি হয়ে থাকল এক অনবদ্য শিল্প প্রদর্শনীর যেখানে উপস্থিত হয়েছিল সমস্ত ইন্ডিয়া থেকে প্রচুর মানুষ অংশগ্রহন করেছিলেন তাদের পসরা নিয়ে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ভাগলপুরের শাড়ি, শান্তিনিকেতনের তাঁতিদের তৈরি শাড়ি এছাড়াও সুন্দর সুন্দর গয়নার সম্ভার।

অভিনেত্রী টিয়া বাজপেয়ী তো বলেই বসলেন এখানে এতো সুন্দর করে এরা সাজিয়েছে আর এক ছাতের তলায় এতো কিছু পাওয়া যাচ্ছে আমি তো এখানেই সারাদিন শপিং করে কাটিয়ে দেবো।

এই অনুষ্ঠানের মুখপাত্র দেবাশিষ কুমারের কাছে জানা গেলো যে ওনারা প্রতিবছর এইরকম ফ্যাশন ফেস্টিভালের আয়োজন করেন । এই রকম ফেস্টিভালেন ইন্ডিয়ার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রচুর মানুষ তাদের ডিজাইনগুলো এখানে শো-কেস করবার জন্য নিয়ে হাজির হন এবং রোজ প্রায় ১৫,০০০ মানুষ এখানে তাদের পছন্দের জিনিস খুঁজতে চলে আসেন। অনেক নতুন ধরনের পোষাক এবং গয়নার ডিজাইন ও নানা রকম আনকোরা জিনিস ও খুঁজে পাওয়া যায়।




ছবির প্রচারে রানি মুখার্জী কোলকাতার কালিঘাটে

রানি মুখার্জী কোলকাতায় কালিঘাটে
বিয়ের পর প্রথমবার কলকাতায় এলেন রানি মুখোপাধ্যায়৷ আদিত্য চোপড়ার সঙ্গে তাঁর বিয়ের পর প্রথম ছবি ‘মরদানি’-র প্রচারে শহরে এলেন রানি৷ গেলেন কালিঘাটের মন্দিরে৷ জানালেন বিয়ের আগে আসতে পারেননি, তাই বিয়ের পরে শহরে এসেই কালিঘাটে এসেছেন৷ রানি আরও জানান, বিয়ের পর প্রথম দুর্গাপুজোয় সিঁদুর খেলার জন্য মুখিয়ে আছেন তিনি৷

"Gang of Ghost" now in Kolkata

দুই বছর আগে কলকাতার বক্সঅফিস কাঁপিয়েছিল একদল ভূত। ভূতেদের ভবিষ্যত নিয়ে নির্মিত সেই ছবি দর্শকদের এতটাই মজিয়েছিল যে তখনই হিন্দি রিমেকের পরিকল্পনা করে ফেলেছিলেন পরিচালক সতীশ কৌশিক।গ্যাং অফ গোস্ট
সেই ‘গ্যাং অফ গোস্ট’ এর হিন্দি ভার্সন মুক্তি পেতে চলেছে আগামী ২১ মার্চ।
ভূতের ভবিষ্যতে অনীক দত্ত আবিষ্কার করেছিলেন নতুন স্বস্তিকাকে। এই ছবিতে স্বস্তিকার চরিত্রে অভিনয় করেছেন মাহি গিল।
মাহি গিল মনে করেন ছবি দেখে দর্শক নিশ্চিতভাবে তার প্রেমে পড়ে যাবে।
এই প্রসঙ্গে তিনি বললেন, আমি নিশ্চিত ছবি দেখে দর্শক ভূতেদের প্রেমে পড়ে যাবে। তবে আমি ভূত খুব ভয় পাই। যেখানেই থাকি না কেন বাড়ি বা হোটেলের ঘর, সেখানেই সবসময় সব আলো জালিয়ে রাখি।
এই ছবিতে অভিনয় করেছেন শরমন যোশি, রাজপাল যাদব, অনুপম খের, চাঙ্কি পান্ডে, সৌরভ শুক্লা, মীরা চোপড়া ও পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়।

পেজ টি এতবার দেখা হয়েছে